1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. cumillarswadinsangbad@gmail.com : cumillar swadin sangbad : Md Abul Khayer
চৌদ্দগ্রামে ডাক্তার কেয়ার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ॥ মাথায় আঘাতের চিহৃ - cumillarswadinsangbad
৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শুক্রবার| রাত ৩:১১|
শিরোনামঃ
চুরি-ডাকাতি নিয়ন্ত্রণে সাফল্য, কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ ওসি নূরুজ্জামান চান্দিনায় ফুটপাত দখল ও অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চান্দিনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসন-পূজা কমিটির মতবিনিময় শ্রীলঙ্কার বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা ও শ্রীলঙ্কা ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (SLWJA) সভাপতি রাঙ্গা বান্দারানায়েকে শ্বশুর কর্তৃক জামাইকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মারধর ও টাকা ছিনতাই  দেবীদ্বারে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৮ মামলায় সর্বমোট ২৮ হাজার টাকা জরিমানা সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে লায়ন্স ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ চৌদ্দগ্রামে ডাক্তার কেয়ার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ॥ মাথায় আঘাতের চিহৃ চান্দিনা থানার ওসি নুরুজ্জামান জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত কুমিল্লায় ৮৬০ মণ্ডপে দুর্গাপূজা

চৌদ্দগ্রামে ডাক্তার কেয়ার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ॥ মাথায় আঘাতের চিহৃ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬,
  • 42 Time View

চৌদ্দগ্রামে ডাক্তার কেয়ার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ॥ মাথায় আঘাতের চিহৃ

বিশেষ প্রতিবেদক :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আল নূর হসপিটালের গাইনী ডাক্তার খাইরাতুন হিসান কেয়া এর অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নবজাতকের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহৃ রয়েছে! আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাজমা আক্তার নামে ওই প্রসূতি মা বর্তমানে কুমিল্লা শহরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার বাড়ি উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের খামার পুষ্করণী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের ওমান প্রবাসী মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। ঘটনাটি অতি গোপনে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন ডাক্তার খাইরাতুন হিসান কেয়া ও তার স্বামী ডাক্তার মো. সোহাগ।

প্রসূতির স্বজনরা জানান, উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের খামার পুষ্করণী গ্রামের ওমান প্রবাসী মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী নাজমা আক্তার গর্ভধারণের পর থেকে চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল রোডস্থ আল-নূর হসপিটালের গাইনী চিকিৎসক আফরোজা হাশেম নুপুর এর তত্বাবধানে নিয়মিত চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ নাজমা আক্তার আফরোজা হাশেম নুপুরের নিকট চিকিৎসার জন্য আসলে তিনি আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষা করে গর্ভের শিশুটি পানি শূণ্যতার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে জানান। এ সময় তিনি রোগিকে সিজারিয়ান অপারেশন এর মানসিক প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু কৌশলে আল-নূর হসপিটালের অপর গাইনী চিকিৎসক ডা. খাইরাতুন হিসান কেয়া ওই প্রসূতিকে নরমাল ডেলিভারির শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরই মধ্যে গত শনিবার (০৩ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে নাজমা আক্তার প্রসব বেদনা অনুভব করলে ডা. কেয়াকে কল দিয়ে জানালে তিনি তাৎক্ষনিক আল-নূর হসপিটালে ভর্তি হওয়ার জন্য বলেন।

এরপর রোগী ভোর পাঁচটার দিকে হসপিটালে ভর্তি হলেও ডাক্তার কেয়া হাসপাতালে আসেন বেলা এগারোটার পর। এদিকে রোগির অবস্থা খারাপের দিকে গেলে স্বজনরা বারবার জানালেও ডাক্তার কেয়া দীর্ঘসময় ধরে ওই প্রসূতির নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করেন এবং রোগির দেহে অত্যাধিক পরিমাণে মেডিসিন প্রয়োগ করেন। দুপুর আড়াইটার দিকে ব্যাপক টানাহেচড়ার ফলে নবজাতকের মাথায় গুরুতর আঘাত ও রক্তাক্ত জখম হয়। একপর্যায়ে ডা. কেয়া অন্য গাইনী চিকিৎসক নাহিদ সুলতানাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে রোগির অবস্থা দেখে তাকে দ্রুত আইসিইউ সংযুক্ত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সিজার করাতে বলেন। কিন্তু ডা. কেয়া বারবার নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করায় নবজাতক শিশুটি জরায়ু মুখে আটকা পড়ে মৃত্যু হয়। এদিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রসূতি নাজমা আক্তারের শারিরীক অবস্থা খারাপের দিকে যায়। এমতাবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বজনরা নাজমা আক্তারকে কুমিল্লার ইনসাফ স্পেশালাইজড্ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ভর্তি করান। সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সহায়তায় দ্রুত অপারেশনের মাধ্যমে মৃত নবজাতকের ডেলিভারি সম্পন্ন করেন। প্রসূতি নাজমা আক্তার এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রয়েছেন।

ভুক্তভোগি প্রসূতি নাজমা আক্তারের প্রবাসী স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান, বিয়ের পর আমার প্রথম বাচ্চা জন্ম নিবে বলে আমি বেশ আনন্দিত হয়েছি। ডা. কেয়ার অবহেলায় আমার সন্তানের মৃত্যু হয়। আমার স্ত্রীও এখন আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লায় চিকিৎসাধিন অবস্থায় রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুরো পরিবার চিন্তিত। আমরা এ ঘটনার সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দোষী চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক খাইরাতুন হিসান কেয়ার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি নরমাল ডেলিভারির জন্য চেষ্টা করেছি। রোগির অবস্থা ভালো না বিধায় আমি তাকে কুমিল্লায় প্রেরণ করি।

এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, বিষয়টি আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। ভুক্তভোগির পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                  Themes Created By BDITWork