1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. cumillarswadinsangbad@gmail.com : cumillar swadin sangbad : Md Abul Khayer
"রায়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা"- ঢাকা শহর  - cumillarswadinsangbad
৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ১:৩২|
শিরোনামঃ
বরুড়ায় ছাত্র যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক আটক: রণক্ষেত্র এলাকা, পুলিশসহ আহত কয়েকজন ইডিসিএল ঘিরে অস্থিতিশীলতার অভিযোগ উৎপাদন ব্যাহত ও কর্মপরিবেশ নষ্টের মাধাইয়ায় ‘মাদককে না বলুন’ কর্মসূচি, শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারের বিলম্ব উচিত নয়: আহমেদ আবু জাফর হোমনায় এক সপ্তাহে কয়েক স্থানে চুরি; রেহাই পেল না প্রতিবন্ধীর টং দোকানও তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অবহিতকরণ সভা মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়িকে ঘিরে চিরবিদায় কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ১ হোমনা থানার হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ পরা মাদক মামলার আসামির পালানোর চেষ্টা, তিতাস নদীতে ঝাঁপ; স্থানীয়দের সহায়তায় পুনরায় আটক

“রায়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা”- ঢাকা শহর 

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৮, ২০২৫,
  • 564 Time View

“রায়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা”- ঢাকা শহর

মনোয়ার মালেক, বিশেষ প্রতিনিধি:

আজ সকালে রাজধানী ঢাকায় বেশিরভাগ প্রধান সড়ক ও গলি-পথে তুলনামূলকভাবে শান্ত দেখা গেছে, যদিও শহরজুড়ে রায়ের দিনটি ঘিরে নিরাপত্তা তীব্র রাখা হয়েছিল।

নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা, শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার আগে থেকেই রাজধানীতে কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ট্রাইব্যুনাল এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, আদালত চত্ত্বর ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB), সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও সেনা মোতায়েন ছিল।

তল্লাশি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয় গুলিস্তান মোড়, হাইকোর্ট এলাকা, শাহবাগ এবং কর্ণার পয়েন্টগুলোতে। সাইন্সল্যাব , গুলিস্তান ও কারওয়ান বাজারসহ বাণিজ্যিক এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর বেশি মনিটরিং ছিল, ফলে পথের গতিপথ কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিল।

যানবাহন ও জনসমাগম সকাল-বেলা শহরে যান চলাচল কিছুটা কম ছিল। কিছু এলাকায় সাধারণ দিনের তুলনায় গতি থেমে গিয়েছিল, কারণ মানুষ রাস্তায় কম ছিলেন এবং যানবাহনের উপস্থিতি সীমিত ছিল। তবে সকাল ও মধ্যাহ্নের দিকে যানবাহনের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে, কিছুটা স্বাভাবিক রুটিন ফিরে আসতে দেখা যায়। জনমনে উত্তেজনা ও প্রতিক্রিয়া যদিও রায়ের দিন হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ছিল, তথাপি পুরো ঢাকায় ব্যাপক সংঘাত বা বিশৃঙ্খলা হয়নি।

দু’পক্ষের সমর্থকরা কিছুটা সরব হলেও, পথে বড় ধরনের জনগণ সড়কে নেমে নাশকতা বা আক্রমণ করছে এমন খবর সীমিত ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাস্তায় তাদের উপস্থিতি ও তল্লাশি কার্যক্রম বাড়িয়ে রাখায় এটি একটি “নিয়ন্ত্রিত” পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করেছে।

তবে, দুপুরে হাইকোর্টের প্রাঙ্গণে রায় পড়ার পর কিছু মানুষ স্লোগান দিতে শুরু করে। সরকার ও প্রশাসনের অবস্থান আদালত এলাকা এবং আশপাশে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে।

রায়ের দিন হলেও সাধারণ দিনের মতো কিছুটা জনজীবন চলছে — অফিসগামী, শিক্ষার্থীরা গন্তব্যে যাচ্ছেন এবং যানবাহন সার্বিকভাবে বড় ধরণের বাড়তি বাধা ছাড়া চলাচল করছে।

সব মিলিয়ে আজকের দিনটি রায়ের কারণে উত্তেজনার মধ্যেও দেখা দিয়েছে “নিয়ন্ত্রিত শান্তি” — অনেক জায়গায় নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা শহর, জনতা কিছুটা স্বাভাবিক রুটিন ফিরিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                  Themes Created By BDITWork