
বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এ আশরাফের জমজমাট কোচিং বানিজ্য
সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম এ আশরাফ এর জমজমাট কোচিং বাণিজ্য।
বিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৩০ জন, ও শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা ১১ জন।
সিরাজগঞ্জ অনুসন্ধানী সাংবাদিক টিমের অনুসন্ধানে উঠে আসে এমএ আশরাফের জমজমাট কোচিং বাণিজ্যের তথ্য, বিদ্যালয়টির শুধু পঞ্চম শ্রেণীর ৩৬ জন শিক্ষার্থী কোচিং করেন এম এ আশরাফের কোচিংয়ে। শুধু তাই নয় অত্র বিদ্যালয়ের তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীও ভালো ফলাফলের আশায় কোচিং করেন তার কাছে।
সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে ৮:৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং বিকেল ৪:০০টা থেকে ৬:০০টা পর্যন্ত চলে তার এই কোচিং বানিজ্য। প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাসে ৩০০ টাকা করে বেতন নেওয়া হয়।
এবং প্রতি মাসে প্রায় ৫০.০০০ হাজার টাকা কোচিং বাণিজ্যর মাধ্যমে আয় হয়। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ হেলাল উদ্দিন কে বিদ্যালয়ে না পেয়ে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এম এ আশরাফ কোচিং করান সেটা আমি জানি কিন্তু আমার স্কুলের পাশেই টিনের ঘরে।
এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জনাব শেখ ফরিদ আহমেদ এর সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।