
এম এ খায়ের ইমন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) পৃথক দুটি অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি। অপর আটজনকে মাদক সেবনের অপরাধে সামারি ট্রায়ালের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত এ কার্যক্রমে থানার একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা ও তাঁদের সঙ্গীয় ফোর্স অংশ নেন। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ব্রাহ্মণপাড়া থানার এএসআই (নিরস্ত্র) মো. নুর আল আহসান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. সাজিদ আরেফিনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের মানরা গ্রামের আবু কাউছারের ছেলে।
পুলিশের পরিচালিত এ অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।
মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার ৮
একই দিন ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের পৃথক আরেকটি অভিযানে মাদক সেবনের অপরাধে আটজনকে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. রফিকুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এএসআই (নিরস্ত্র) মো. নুর আল আহসান, এএসআই (নিরস্ত্র) লিংকন কুমার নাথ এবং সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বারিরচর গ্রামের মো. আলমগীর (৩৫), আবুল কালাম আজাদ (৩৯) ও কাজী মোজাম্মেল হক (৪২); ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার পুরকুইল পূর্বপাড়া গ্রামের মো. রাহিম (২২) ও মো. জুরাইদ হক (২৪); কসবা উপজেলার কেউরা গ্রামের মো. আমিনুল ইসলাম (২২); কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ছাতিয়ানী গ্রামের মো. জিসান (২৬) এবং একই উপজেলার আশাবাড়ি গ্রামের মো. খাইরুল আমিন (২৮)।
পুলিশ জানায়, মাদক সেবনের অপরাধে আটক এই আটজনকে সামারি ট্রায়ালের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত
ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে সর্বমোট নয়জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং আটজন মাদক সেবনের অপরাধে আটক হয়েছেন।
এ ধরনের অভিযান অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।