
কুমিল্লা চান্দিনা থানার কেরনখাল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজীর মামলা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে কাউসার নামের এক পুরুষ বাদী হয়ে ৩ বেঙ্গল রেজিমেন্ট কুমিল্লা সেনানিবাস হাসানপুর দাউদকান্দি কুমিল্লা মামলাটি করেন।
মামলায় ৫ নং কেরনখাল ইউনিয়ন শাখা যুবদলের সভাপতি ও চান্দিনা থানার থানগাঁও এলাকার বাসিন্দা মো নাছির উদ্দীন মিয়াজী কে প্রধান আসামি করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন একই এলাকার( ২) মোঃ জুয়েল( ৩৩) পিতা মো ইব্রাহিম, থানগাঁও, চান্দিনা, কুমিল্লা (৩) মোঃ বাবু (২৭) পিতা মো জাহাঙ্গীর আলম পিতা অজ্ঞাত থান গাঁও চান্দিনা কুমিল্লা। ( ৪) মোঃ নয়ন (৩৩), পিতা মোঃ মোকবল হোসেন, থানগাঁও, চান্দিনা,কুমিল্লা। (৫), মো মনিরুজ্জামান পিতা অজ্ঞাত থানগাঁও, চান্দিনা, কুমিল্লা।
মামলার বাদী মো কাউসার পিতা মো ইলিয়াস সাং দঃ রুপসী, থানা রুপগুঞ্জ। বর্তমানে ওয়ার্ড প্রসেস ওয়াশ, ডেনিম প্রসেসিং প্ল্যান্ট লিঃ বেলাশ্বর, ভাড়াটিয়া বাসার ঠিকানা সাং থানগাও মোঃ মনির হোসেন এর বাড়ির ভাড়াটিয়া থানা, চান্দিনা,জেলা কুমিল্লা।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ২৩ জুলাই রাত ১১টার দিকে আসামিরা অজ্ঞাতনামা ২ জন লোক ১০/১২ পিছ কোমল পানীয় নিয়ে আমার বাসায় আসে ও মালগুলো রেখে তাহাদের কে কিছু টাকা দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট টাকা না থাকায় আমি তাহাদেকে টাকা দিতে ও মাল রাখতে রাজি হইনাই। তথাপিও আমার বাসার বারান্দায় মালগুলি ফেলিয়া চলিয়া যায়। ২৪ তারিখ সকালে আনুমানিক ৬ টার সময় বিবদী মোঃ বাবু ও মোঃ নয়ন আমার বাসায় আসিয়া কথা আছে বলে আমাকে ডেকে আমার বাসার পাশে মোহর আলীর বিল্ডিং এর ছাদে নিয়ে যায়। ছাদে গিয়ে বিবাদী নাছির, জুয়েল ও মনিরুজ্জামান গন কে দেখতে পাই। বিবাদীরা আমাকে জানায় আমি নাকি রাতের বেলায় চুরির মাল কিনিয়া রাখছি। আমি তাহাদের কে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে বলে। আমি টাকা না দিলে আমাকে কাঠের লাঠি দিয়া পিঠাইয়া কিল ঘুশি মেরে শরীরে বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে । আমাকে ছাদের উপর আটকে রাখিয়া বিবাদী মোঃ নাছির উদ্দিন মিয়াজী বিবাদী বাবু ও নয়নকে আমার বাসয় পাঠায় তাহারা আমার স্ত্রীকে বলে আমি যদি ৫০ হাজার টাকা না দেই তাহলে আমাকে তাহারা সেনাবহীনির হাতে তুলে দিবে। আমার স্ত্রী বিবাদীদের ভয়ে আমার শশুর বাড়ী থেকে ৩০ হাজার টাকা আনে ও আমার বাসায় থাকা ৫ হাজার টাকা সহ মোট ৩৫ হাজার টাকা বিবাদী নয়নের হাতে দেয়। বিবাদী নয়ন বিবাদী নাছির উদ্দীন মিয়াজীর হাতে দেয়। দুপুর ১২ টার দিকে বিবাদীরা আমাকে ছাড়িয়া দেয় পাশাপাশি আমি যেন কাউকে না জানাই, জানাইলে আমাকে প্রানে মারিয়া ফেলার হুমকি ধমকি প্রদর্শন করে । পরবর্তীতে আমি স্থানীয় গন্যমান ব্যাক্তিবর্গ কে জানালে বিবাদীরা উওেজিত হইয়া আমাকে প্রানে মারার হুমকি ধমকি দিয়ে এলাকা থেকে বাহির করিয়া দেয়। বর্তমানে আমি হাড়িখোলা বাড়া বাসায় থাকি আমাকে যে কোন সময় বিবাদীরা প্রানে মারিয় ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো খায়ের মাওলানার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি যতটুকু জানি সমাজে আমার দলকে হেও করার জন্য প্রতিপক্ষ কে দিয়ে মামলা করানো হইছে। এবিষয়ে কেরনখাল ইউনিয়ন এর প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বিষয় টি মিমাংসা করে দিয়েছি। অন্যান্য বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। তবে অভিযোগ কারীর সাথে কথা বলে জানা যায় এ বিষয়ে অভিযোগ করার ফলে চকিদার সহ এলাকার দুই একজনকে দিয়ে হুমকি ধমকি দিতেছে আমি যাতে এ বিষয় নিয়ে বারাবাড়ি না করি এই মূহুর্তে আতংকে চাকরিতে আসা যাওয়া করি। প্রান ভয়ে এলাকায় জীবনযাপন করতেছি, তবে আমি আশাবাদী প্রশাসনের কাছে আমি ন্যায়বিচার পাব।
এ বিষয়ে জানতে ৩ বেঙ্গল রেজিমেন্ট কুমিল্লা সেনানীবাস হাসানপুর দাউদকান্দি কুমিল্লা এর ০১৭৬৯৩৩১৩৩২ নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি তাই এ বিষয়ে কোন কিছু জানা সম্ভব হয়নি।