1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. cumillarswadinsangbad@gmail.com : cumillar swadin sangbad : Md Abul Khayer
গোমতী নদীর পাড় রক্ষায় প্রয়াত এমপি অধ্যাপক ইউনুসের স্মরণীয় অবদান - cumillarswadinsangbad
৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| সকাল ৬:১৯|
শিরোনামঃ
প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, মৃত্যুশয্যায় বৃদ্ধ বাবা-মা কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আজ নেতৃত্বের লড়াই, ভোটের অপেক্ষায় সাংবাদিক সমাজ ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বরুড়ায় ছাত্র যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক আটক: রণক্ষেত্র এলাকা, পুলিশসহ আহত কয়েকজন ইডিসিএল ঘিরে অস্থিতিশীলতার অভিযোগ উৎপাদন ব্যাহত ও কর্মপরিবেশ নষ্টের মাধাইয়ায় ‘মাদককে না বলুন’ কর্মসূচি, শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারের বিলম্ব উচিত নয়: আহমেদ আবু জাফর হোমনায় এক সপ্তাহে কয়েক স্থানে চুরি; রেহাই পেল না প্রতিবন্ধীর টং দোকানও তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অবহিতকরণ সভা মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়িকে ঘিরে

গোমতী নদীর পাড় রক্ষায় প্রয়াত এমপি অধ্যাপক ইউনুসের স্মরণীয় অবদান

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬,
  • 127 Time View
গোমতী নদীর পাড় রক্ষায় প্রয়াত এমপি অধ্যাপক ইউনুসের স্মরণীয় অবদান

মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বুড়িচং প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বুক চিরে প্রবাহিত গোমতী নদী একটি তীব্র স্রোতধারার পার্বত্য নদী। জেলার অন্তত সাতটি উপজেলার কৃষি কার্যক্রমে এ নদীর পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বর্ষা মৌসুমে কখনো কখনো এটি রুদ্র রূপ ধারণ করে বাঁধ ভেঙে জনজীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রতি বর্ষায় গোমতীর ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকিতে থাকে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত প্রায় ৭২ বছরে গোমতী নদীর বাঁধ অন্তত ২৯ বার ভেঙেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বুড়িচং উপজেলা। সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকসহ বিভিন্ন সময়ে বাঁধ ভেঙে বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে।

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, নদীভাঙন রোধ এবং বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া নির্বাচনী এলাকা থেকে চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মোঃ ইউনুস।

তিনি নদী ভাঙন রোধে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে সরকারি বরাদ্দ সংগ্রহ করেন এবং গোমতীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেন। নদীর পাড় উঁচুকরণ, প্রশস্তকরণ, নদী শাসন এবং পাড় পাকা করণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও তার উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছিল।

বন্যা ও বাঁধ ভাঙনের সময় তিনি সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী নিয়োজিত করা, জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করা এবং স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নৌকা ও স্পিডবোট ব্যবহার করে পানিবন্দি মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেন জরুরি ত্রাণ সহায়তা।

আজ অধ্যাপক ইউনুস আর বেঁচে নেই, কিন্তু তার অবদান ও ত্যাগ এখনো মানুষের স্মৃতিতে অম্লান হয়ে আছে। আশির দশকে বুড়িচং উপজেলায় গোমতীর বাঁধ ভাঙনের সময় তিনি যে সাহসিকতা ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন, তা স্থানীয় মানুষের কাছে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

সেই সময়ের উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রমের একটি ছবিতে দেখা যায়, নৌকায় বসে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন অধ্যাপক ইউনুস। অপর একটি ছবিতে উদ্ধার অভিযানে তার পাশে হাঁটতে দেখা যায় কুমিল্লার বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে, যিনি তখন ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।

বর্তমানে গোমতী নদীর বাঁধ উঁচুকরণ ও টেকসই সুরক্ষার দাবিতে যারা মানববন্ধন করছেন, তাদের ন্যায্য ও নিয়মতান্ত্রিক দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস ফাউন্ডেশন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                  Themes Created By BDITWork