1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. cumillarswadinsangbad@gmail.com : cumillar swadin sangbad : Md Abul Khayer
কুমিল্লা চান্দিনা জামায়াতের মনোনয়ন বানিজ্যের অভিযোগ - cumillarswadinsangbad
২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| মঙ্গলবার| রাত ১০:৪৩|
শিরোনামঃ
হোমনায় এক সপ্তাহে কয়েক স্থানে চুরি; রেহাই পেল না প্রতিবন্ধীর টং দোকানও তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অবহিতকরণ সভা মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়িকে ঘিরে চিরবিদায় কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ১ হোমনা থানার হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ পরা মাদক মামলার আসামির পালানোর চেষ্টা, তিতাস নদীতে ঝাঁপ; স্থানীয়দের সহায়তায় পুনরায় আটক ৯ লাখ টাকায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বানানোর অভিযোগ! শহীদ ইমাম হাসান তায়িম ভূঁইয়ার ২য় শাহাদাতবার্ষিকী পালিত আজ আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম কন্ট্রাক্টরের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী প্রাক্তন স্বামীর ছুরিকাঘাতে এক নারীর মৃত্যু ও আসামি গ্রেফতার

কুমিল্লা চান্দিনা জামায়াতের মনোনয়ন বানিজ্যের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৫,
  • 691 Time View
কুমিল্লা চান্দিনা জামায়াতের মনোনয়ন বানিজ্যের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি

চান্দিনা জামায়াতের মনোনয়ন নিয়ে রুকুনদের অসন্তোষ। কুমিল্লা–৭ (চান্দিনা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন নিয়ে স্থানীয় রুকুন ও নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ ভোটাভুটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লাহ নিরঙ্কুশ সমর্থন পেলেও, শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন দেওয়া হয় মাওলানা মোশাররফকে।

রুকুনদের অভিযোগ, দলীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট নেওয়ার পরও রায় উপেক্ষা করে অন্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, “যদি আগে থেকেই প্রার্থী ঠিক করা থাকে, তাহলে ভোটাভুটির আয়োজনের দরকার কী ছিল?”

সূত্র জানায়, প্রথম ভোটাভুটিতে ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লাহ স্পষ্টভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পান। পরে স্থানীয় রুকুনরা জেলা জামায়াতের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান, কিন্তু কোনো স্পষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। বরং আনুগত্যের দোহাই দিয়ে তাদের নীরব থাকতে বলা হয়।

চান্দিনা জামায়াতের একাধিক রুকুন জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত দলীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। তারা দাবি করেছেন— “সংসদীয় আসনের অধিকাংশ রুকুন যাকে চায়, তাকেই প্রার্থী করা উচিত।”

এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                  Themes Created By BDITWork