
মোঃ আমজাদ হোসেন
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ৭ জুলাই রোজ সোমবার ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে চসিক অভিযান চালায়।
চারিদিকে উঁচু উঁচু দালান কোটা আর বিভিন্ন গাড়ির শব্দদূষণে জীবনটা যখন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে ঠিক তখনই মনে পড়ে যায় মানুষের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের কথা। সারাদিনের নানা ব্যস্ততায় কাজের চাপে যখন খুব বেশি দুর্বিষহ হয়ে পড়ে ঠিক তখনই মানুষ একটু সুখ একটু শান্তির প্রয়াস পেতে চলে আসেন এই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে।
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের গর্জন পানির নীল জলরাশি যেন প্রতিনিয়ত মানুষের মন কেড়ে নিয়ে চলেছে। সমুদ্রের দিকে তাকালেই দেখা মিলবে ছোট ছোট স্পিড বোট ও নোঙ্গর ফেলে দাঁড়িয়ে থাকা জাহাজগুলো। পর্যটকরা চাইলেই এই স্পিড বোট গুলা দিয়ে ঘুরে আসতে পারে জাহাজের কাছ থেকে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য এক কিলোমিটারের কিছু কম হবে রাস্তাটা অনেক বিশাল রাস্তার দুই পাশে রয়েছে অনেকগুলো ঝাউ গাছ যা পরিবেশটাকে করে তুলেছে আরো অনেক বেশি মনোমুগ্ধকর। আর ঠিক এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশটাকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে কিছু অবৈধ দোকানদার এবং কিছু অবৈধ স্থাপনা। এই অবৈধ স্থাপনার জন্য কিছুদিন পর পর এখানে অভিযান চালানো হয় তারপরও কোন দিক নির্দেশনা না মেনে কিছু অসাধু দোকানদার ও ব্যবসায়ী এখানে তাদের এই অবৈধ স্থাপনা গুলো নির্মাণ করে যাচ্ছে।আর তাই এই অবৈধ স্থাপনা গুলো উচ্ছেদে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা চসিকের অফিসার প্রণয় চাকমা, একান্ত সচিব চসিক মেয়র মারুফুল হক চৌধুরী মারুফ, পতেঙ্গা থানা এবং টুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তারা এই অভিযান পরিচালনা করেন।এই অভিযানে প্রায় ১৫ হতে ২০ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
চসিকের অফিসার আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি কে বলেন, আমরা চাই চট্টগ্রামবাসী এবং বাংলাদেশের দূরদূরান্ত থেকে আগত সকল দর্শনার্থীদের সুন্দর একটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত উপহার দিতে এবং পাশাপাশি চাঁদাবাজি মুক্ত একটি সমুদ্র সৈকত গড়ে তুলতে। যেহেতু দর্শনার্থীরা খুব আনন্দের সহিত এই সুন্দর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতটি উপভোগ করতে পারে। আর আমাদের এই অভিযান সব সময় এভাবে অব্যাহত থাকবে আমরা চট্টগ্রাম নগরীকে সুন্দর একটি বাসযোগ্য দর্শনীয় একটি সিটিতে রূপান্তর করার প্রয়াস চালাচ্ছি।
চট্টগ্রাম চসিক মেয়র একান্ত সচিব মারুফুল হক চৌধুরী মারুফ দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিকে বলেন, আপনারা জানেন এখানে এর আগেও বেশ কয়েকবার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে আমরা চাই চট্টগ্রাম নগরী সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত দর্শনার্থীরা যেন এখানে খুব সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দ্যবোধ ভাবে এই প্রকৃতিটাকে এবং সমুদ্র কে উপভোগ করতে পারে আমরা সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা রাখবো আর এখানে চাঁদা এবং সন্ত্রাস মুক্ত একটি চট্টগ্রাম নগরী এবং সমুদ্র সৈকত গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। এতে করে হয়ে উঠবে একটি উন্নত আধুনিক এবং সকলের শান্তির একমাত্র প্রতীক এই চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত।