
মোঃ হুমায়ন কবির
কুমিল্লার হোমনায় গত এক সপ্তাহে আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে চুরির ঘটনা। ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি চুরির ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। বাসাবাড়ির পাশাপাশি চোরের হাত থেকে রেহাই পায়নি এক প্রতিবন্ধীর ছোট টং দোকানও।
গত বৃহস্পতিবার উপজেলা সদরের পল্লী বিদ্যুৎ অফিস রোডে দিনের বেলায় পৌর হিসাবরক্ষক বিল্লাল হোসেনের ভাড়া বাসার তালা ভেঙে নগদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকাসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পরদিন শুক্রবার বিকেলে মহিলা কলেজ রোডে মোহাম্মদ. হোসেন মিয়ার বাসা থেকে তালা ভেঙ্গে নগদ ৭ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে চোরের।
এদিকে রবিবার রাতে চান্দেরচর ইউনিয়নের শোভারামপুর গ্রামের মৃত খুরশিদ মিয়ার প্রতিবন্ধী ছেলে লুৎফর রহমান ওরফে লতু মিয়ার টং দোকানের চাল কেটে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মালামাল চুরি করে দুর্বৃত্তরা।
একের পর এক চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি রাতের টহল জোরদার ও চোরদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, লতু মিয়া প্রতিবন্ধী হয়েও ভিক্ষাবৃত্তি না করে টং দোকান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বলেন, “ইদানীং চুরির ঘটনা কিছুটা বেড়েছে। পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে রাতের পাহারা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।”