1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. cumillarswadinsangbad@gmail.com : cumillar swadin sangbad : Md Abul Khayer
গোমতী নদীর পাড় রক্ষায় প্রয়াত এমপি অধ্যাপক ইউনুসের স্মরণীয় অবদান - cumillarswadinsangbad
২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| সোমবার| দুপুর ২:৪৯|
শিরোনামঃ
চান্দিনায় নকল মোড়কে পণ্য বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্যও বাজারে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন সুযোগ পেলে ব্রাহ্মণপাড়ার মাধবপুর ইউনিয়নকে উন্নয়নের রোল মডেল করতে চান সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া মুরাদনগরের প্রবীণ পত্রিকা হকার নিতাই চন্দ্র সাহার মৃত্যু ব্রাহ্মণপাড়ার মাধবপুর বাসস্ট্যান্ডে সমিতির নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ চৌদ্দগ্রামের ঐতিহ্যবাহী চিওড়া আছগরিয়া ফাযিল ডিগ্রি মাদরাসার ৭০ বছর পূর্তি উৎসব পালিত দেবীদ্বারে ২দিন ব‍্যাপী জাগুয়ার ডে- ক‍্যাম্প অনুষ্ঠিত *গুণবতীতে প্রাইজমানি ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল: ট্রাইবেকারে কুমিল্লার কাছে হারলো নোয়াখালী  বরুড়ায় বৃদ্ধ দর্জির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার আকস্মিক স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন সরেজমিনে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন

গোমতী নদীর পাড় রক্ষায় প্রয়াত এমপি অধ্যাপক ইউনুসের স্মরণীয় অবদান

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬,
  • 163 Time View
গোমতী নদীর পাড় রক্ষায় প্রয়াত এমপি অধ্যাপক ইউনুসের স্মরণীয় অবদান

মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বুড়িচং প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বুক চিরে প্রবাহিত গোমতী নদী একটি তীব্র স্রোতধারার পার্বত্য নদী। জেলার অন্তত সাতটি উপজেলার কৃষি কার্যক্রমে এ নদীর পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বর্ষা মৌসুমে কখনো কখনো এটি রুদ্র রূপ ধারণ করে বাঁধ ভেঙে জনজীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রতি বর্ষায় গোমতীর ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকিতে থাকে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত প্রায় ৭২ বছরে গোমতী নদীর বাঁধ অন্তত ২৯ বার ভেঙেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বুড়িচং উপজেলা। সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকসহ বিভিন্ন সময়ে বাঁধ ভেঙে বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে।

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, নদীভাঙন রোধ এবং বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া নির্বাচনী এলাকা থেকে চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মোঃ ইউনুস।

তিনি নদী ভাঙন রোধে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে সরকারি বরাদ্দ সংগ্রহ করেন এবং গোমতীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেন। নদীর পাড় উঁচুকরণ, প্রশস্তকরণ, নদী শাসন এবং পাড় পাকা করণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও তার উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছিল।

বন্যা ও বাঁধ ভাঙনের সময় তিনি সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী নিয়োজিত করা, জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করা এবং স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নৌকা ও স্পিডবোট ব্যবহার করে পানিবন্দি মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেন জরুরি ত্রাণ সহায়তা।

আজ অধ্যাপক ইউনুস আর বেঁচে নেই, কিন্তু তার অবদান ও ত্যাগ এখনো মানুষের স্মৃতিতে অম্লান হয়ে আছে। আশির দশকে বুড়িচং উপজেলায় গোমতীর বাঁধ ভাঙনের সময় তিনি যে সাহসিকতা ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন, তা স্থানীয় মানুষের কাছে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

সেই সময়ের উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রমের একটি ছবিতে দেখা যায়, নৌকায় বসে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন অধ্যাপক ইউনুস। অপর একটি ছবিতে উদ্ধার অভিযানে তার পাশে হাঁটতে দেখা যায় কুমিল্লার বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে, যিনি তখন ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।

বর্তমানে গোমতী নদীর বাঁধ উঁচুকরণ ও টেকসই সুরক্ষার দাবিতে যারা মানববন্ধন করছেন, তাদের ন্যায্য ও নিয়মতান্ত্রিক দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস ফাউন্ডেশন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                  Themes Created By BDITWork