গোবিন্দগঞ্জ পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ ও লাভ বেড়েছে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ৬৫৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে পাট চাষের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর পেছনে সময়োপযোগী আবহাওয়া, কম খরচে উৎপাদন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তা বড় ভূমিকা রাখছে।এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, এ বছর গোবিন্দগঞ্জে ৬৫৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ অনেক বেড়েছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত টেকনিক্যাল সাপোর্ট, আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। ফলে কৃষকরা কম খরচে বেশি উৎপাদন করতে পারছেন।
তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া পাট চাষের জন্য অত্যন্ত অনুকূল ছিল। গরম বেশি থাকলে সাধারণত ক্যাটারপিলার বা বিছাবোকার আক্রমণ বাড়ে, কিন্তু এবার অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এ ধরনের কীটের আক্রমণ অনেকটাই কমেছে। এতে করে কীটনাশকের ব্যবহার কমেছে এবং খরচও কম পড়েছে। অন্যদিকে, বাজারে আঁশের ভালো দাম থাকায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।
পাট পচানোর প্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা জানান, পাট চাষের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো পানির সংকট। তবে এ বছর নদী-খালবিলগুলোতে পর্যাপ্ত পানি থাকায় কৃষকরা সহজেই পাট পচাতে পারছেন। পাশাপাশি আমরা আধুনিক ‘জীবন রেটিং’ পদ্ধতিতে কাঁচা পাট থেকে আঁশ তুলে কম জায়গায় ও কম সময়ে পচানোর পরামর্শ দিচ্ছি। এটি পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর একটি প্রযুক্তি। এই পদ্ধতিতে আঁশের গুণমান ভালো থাকে এবং কোম্পানিগুলো সরাসরি তা সংগ্রহ করছে।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ মনে করছে, এ বছর পাট চাষে কৃষকদের লাভজনক ফলন হবে এবং সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহায়তা অব্যাহত থাকলে গোবিন্দগঞ্জে পাট চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে।
হেড অফিস ১১১ ভি আই পি মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড ঢাকা।
কুমিল্লা অফিস: বাগিচাগাঁও, ডায়াবেটিস হসপিটাল এর আপজিটে, কুমিল্লা। 01919602008
সম্পাদক ও প্রকাশক- এম এ খায়ের ইমন
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- মোঃ জয়নাল আবেদীন
নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ সেলিমুজ্জামান (সেলিম)
বার্তা সম্পাদক- সুলতানা রাজিয়া
সহঃ বার্তা সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান